President

ঢাকার রাজপথে প্রতিদিন যোগ হচ্ছে ৩শর মতো গাড়ি কিন্তু সে তুলনায় বাড়ছে না নতুন সড়ক, যার কারণে ক্রমেই বাড়ছে যানজট। গবেষণায় বলছে ঢাকার রাস্তার যানযজটের কারণে প্রতিবছর নষ্ট হচ্ছে ৩২ লাখ কর্ম ঘণ্টা যার মুল্য ৩০ হাজার কোটি টাকা। যানজট কমাতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রাইভেট কারের লাগাম টেনে ধরা। সেই সাথে সড়ক, রেল ও জল পথকে অন্তর্ভুক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

ঢাকা শহরের যানযট এখন মানুষের কাছে নিত্য দিনের সঙ্গী। বিশ্ব ব্যাংকের গবেষণা বলছে ১০ ব্ছর আগেও ঘণ্টায় অন্তত ২১ কিলোমিটার যেতে পারতেন রাজধানীবাসী। বর্তমানে তা নেমে এসেছে মাত্র ৭ কিলোমিটারে। বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যদ্বাণী এভাবে চললে আর ১০ বছর পরে যানবাহনের চেয়ে পায়ে হেটেই আগে বাড়ি যাওয়া যাবে।

সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের হিসেব মতে প্রতিদিন নিবন্ধিত হছে তিনশর বেশি যানবাহন। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধিত হচ্ছে মোটরসাইকেল, এর পরে আছে প্রাইভেটকারের স্থান। কিন্তু সে তুলনায় রাস্তা বেড়েছে সামান্য, তার সাথে যোগ হয়েছে অপরিকল্পিত কার পার্কিং, মূল সড়কের ওপরে রেলক্রসিং, একি রাস্তায় সব ধরণের যানবাহন চলাচল এবং আইন না মানার প্রবণতা।

সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, একটি পরিবারে একাধিক গাড়ি। এই প্রাইভেট গাড়িকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রাইভেটকার কেনার জন্য ব্যাংকগুলোতে খুব সহজ কিস্তিতে লোন দেয়া বন্ধ করতে হবে। আমাদের শহরগুলোতে ২৫ থেকে ৩০ ভাগ রাস্তা বন্ধ।

অ্যাক্সিডেন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বুয়েটের পরিচালক, অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ট্রাসপোটেশন সিস্টেম একটা উদ্যোগ নিয়ে হবে না, সম্পূর্ণ রাস্তাকে নিয়ে একটি উদ্যোগ নিতে হবে। তার সাথে পাকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে, নয়তো জরিমানা যতই করা হোক না কেন তারা রাস্তায় পার্কিং বন্ধ হবে না।

যানজট কমাতে সরকার গত মেয়াদে ওয়াটার বাস গাবতলী থেকে সোয়ারি ঘাট থেকে চার লেন সহ ১০টি প্রকল্প হাতে নেয়। কিন্তু প্রায় একদশক পার হয়ে গেলেও অধিকাংশ প্রকল্পই সফল হয়নি।

সূত্র: চ্যানেল টুয়েন্টিফোর।

২৫ অক্টোবর, ২০১৭ ১৭:৩৩ পি.এম