President

ডলারের বিপরীতে বেড়েছে পাউন্ডের দর। গতকাল শুক্রবার ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১ শতাংশ। এক পাউন্ড সমান ১ দশমিক ৩৬১ ডলার হয়েছে। গত বছরের জুনের ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদের (ব্রেক্সিট) পর এবারই প্রথম সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের দর।

তবে কেবল ডলারের বিপরীতে নয়, ইউরোর বিপরীতেও বেড়েছে পাউন্ডের দর। গতকাল ১ পাউন্ড সমান ১ দশমিক ১৩৭ ইউরোতে লেনদেন হয়।

আগামী মাসে সুদের হার বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা। অনানুষ্ঠানিক ওই বক্তব্যের পরই পাউন্ডের দর বেড়েছে—এমনটা মনে করা হচ্ছে। দেশটির ব্যাংক সুদের হার বর্তমানে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ। তবে নভেম্বরে তা বেড়ে শূন্য দশমিক ৫০ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার নির্ধারণী কমিটির সদস্য ভিলেঘি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির বর্তমান অবস্থায় মুদ্রানীতি নিয়ে আমাদের ধৈর্য রাখা উচিত বলে মনে করি। তবে তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে এটা বলা যেতে পারে, আমাদের সুদের হার বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।’

ব্রেক্সিট ভোটের পর গত বছরের ২৪ জুন থেকে বিশ্ববাজারে কমতে থাকে পাউন্ডের দর। ওই বছরের অক্টোবরে বিশ্ববাজারে পাউন্ডের দর ৩১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। সে সময় যুক্তরাজ্যের মুদ্রা পাউন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশের টাকার মানও শক্তিশালী হয়। বাংলাদেশে পাউন্ড তখন ১০০ টাকার নিচে ক্রয়-বিক্রয় হয়। তবে এরপর কিছুটা বাড়তে থাকে পাউন্ডের দর। বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ পাউন্ডের দর ১০৬ দশমিক ৬২ টাকা।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৬:২৩ পি.এম